ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভ নিয়ে ‘খুবই আতঙ্কিত ও ভীত হয়ে পড়েছে’। এমনটাই মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও হার্ড নিউজ ম্যাগাজিনের সম্পাদক সঞ্জয় কাপুর।
আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীরা কিছু একটা ঘটিয়ে ফেলতে পারে, মোদি সরকারের এমন আতঙ্ক দেখাটা ‘খুবই অদ্ভুত’।
বিষয়টা ব্যাখ্যা করে সঞ্জয় কাপুর বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা যাতে সমাবেশস্থলে পৌঁছাতে না পারেন, সে জন্য ট্রেন, বাসসহ যাতায়াতের সম্ভাব্য সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সত্যি কথা হলো, পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যায়, তা নিয়ে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকার অত্যন্ত ভীত।’
কাপুরের মতে, বিক্ষোভে অংশ নিতে চাওয়া অধিকাংশ মানুষই চান না যে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় থাকুক। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে মোদি সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা অনেকটাই কমতে শুরু করেছে।’
রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের বিষয়ে বিজেপির উদ্বেগের কথা তুলে ধরে এই বিশ্লেষক বলেন, ‘বিজেপি ভয় পাচ্ছে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে তাদের বিপক্ষে চলে গেছে। ফলে ক্ষমতায় ফিরে আসা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়তে পারে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ
ভারতে সম্প্রতি বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাদ পড়া ব্যক্তিদের বড় অংশই মুসলিম বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের নাম বাদ দেওয়ার এই প্রক্রিয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) নির্বাচনী সুবিধা দিচ্ছে।
এই সংশোধনপ্রক্রিয়া নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী রাজনৈতিক দল ও অধিকারকর্মীরা। সেই সঙ্গে তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন।
সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে তীব্র আন্দোলন চলছে। জেন-জি নেতৃত্বাধীন সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি তথা সিজেপির সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলো এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। ফলে এই আন্দোলনকে নতুন মাত্রা পেয়েছে।
গত কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ক্যাম্পেইন ফর জুডিশিয়াল প্রোটেস্ট’ নামে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়। ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের পাশাপাশি জনপ্রিয় ইউটিউবার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ধ্রুব রাঠী এই কর্মসূচিকে অংশ নেবেন বলে ঘোষণা দেন।
বিক্ষোভ ঘিরে কঠোর অবস্থানে মোদি সরকার, অবরুদ্ধ দিল্লি
বিক্ষোভ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। পুলিশের বিশাল বহর। যন্তর মন্তরের চারপাশে কড়া পাহারা। আকাশে ড্রোন, বিক্ষোভস্থলের প্রতিটি গতিবিধিতে নজরদারি। রাজধানী দিল্লিতে জেন-জি বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তার এমন আয়োজন, যেন যুদ্ধের প্রস্তুতি!
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বলে বিক্ষোভের অনুমতি দেয়া হয়নি। এরপরও দিল্লিকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। শহরের রাস্তায় প্রায় মোতায়েন করা হয়েছে ৩০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী।
শুধু তাই নয়, বিক্ষোভের কয়েক ঘণ্টা আগেই শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সরকার নজিরবিহীনভাবে নয়াদিল্লিগামী সব ট্রেন (২৪৫টি) চলাচল বাতিল করে, ৫০টিরও বেশি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেয় এবং রাত ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য জনপথ-কর্তব্য পথ ক্রসিংয়ের চারপাশে চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অডিও রেকর্ডিংয়ের সুবিধাসহ ৩০০টির বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া বিক্ষোভে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখতে স্থানীয় বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার শিক্ষার্থীর কাছে সতর্কবার্তা দিতে সরকারি কর্মীদের পাঠানো হয়।
শহরের বিভিন্ন মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। যন্তর-মন্তরে স্থাপন করা হয়েছে সাত স্তরের ব্যারিকেড। বাসে বাসে চালানো হচ্ছে তল্লাশি; ড্রোন দিয়েও চলছে নজরদারি। যন্তর-মন্তরের আশপাশে সন্দেহভাজনদের আটক করে গাড়িতে তোলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ব্যাপক ধরপাকড়
শনিবার সকালে দিল্লির যন্তর মন্তরের কাছে ঔপনিবেশিক আমলে নির্মিত কনট প্লেস এলাকার সড়কগুলোতে পুলিশের ব্যাপক ব্যারিকেড দেখা যায়। এদিকে নির্ধারিত বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা বিক্ষোভকারীদের বিভিন্ন দলকে আটক করতে শুরু করে পুলিশ। সবশেষ প্রাপ্ত তথ্য মতে, বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা প্রায় ৫ হাজার জনকে আটক করা হয়েছে।
প্রথমেই সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসকে নাটকীয়ভাবে বিমান থেকেই আটক করে পুলিশ। জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তার বাড়ি থেকেই আটক করা হয়।
৩২ বছর বয়সি রাঠি চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বেঙ্গালুরুতে সিজেপির নেতৃত্বে আয়োজিত একই ধরনের একটি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। আজকের সমাবেশে যোগ দিতে তিনি উড়ে নয়াদিল্লিতে এসেছিলেন।
ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো শনিবার সকালে জানায়, মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে দীপকের সঙ্গে দেখা করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। এ সময় কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় তাকে কর্মসূচি বাতিল করতে বলা হয়।
এক বিবৃতিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, বিমান অবতরণের পর তাদের নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকেও বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয়।
আটক করা হয়েছে বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাকেও। নকশালপন্থি দল সিপিআইএমএল (লিবারেশন)-এর ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বা আইসার সভাপতি ২৯ বছর বয়সি নেহা চলমান আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে নয়াদিল্লিগামী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ট্রেন ও বাস থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া নয়াদিল্লি থেকে কয়েক শ কিলোমিটার দূরের বিভিন্ন শহরে অনেক শিক্ষার্থীকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। তারা হলেন পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার মানিক সরকার।
বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। আটক সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন স্বাধীন সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইনের অনুসন্ধানী সাংবাদিক আয়ুশ তিওয়ারি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউজলন্ড্রিসহ অন্যান্য স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের অন্তত তিনজন সাংবাদিককেও আটক করেছে পুলিশ।
এমন নজিরবিহীন দমনপীড়নের পরও আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শীর্ষ নেতারা আটক থাকলে বিকল্প নেতৃত্বে যন্তর মন্তরের আন্দোলন চলবে। সেক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবেন অজিঙ্ক্য শিন্ডে।
‘মোদি, শাহ, আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিত’: সিজেপি
এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দলটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ নিন্দা জানানো হয়।
পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও দিল্লির পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ করে সিজেপি বলেছে, ‘মোদি, শাহ, আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিত।’
নিজের আটকের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিজিৎ দীপকেও। আটকের পর ইনস্টাগ্রাম চ্যানেলে একটি ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। এতে দেখা যায়, এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান অবতরণের পর একদল পুলিশ কর্মকর্তা বিমানের ভেতরে প্রবেশ করছেন।
পুলিশ সদস্যরা তার কাছে এগিয়ে এলে দীপকেকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি গ্রেপ্তার হতে এসেছি। আপনাদের ভয় পাই না।’ আশুতোষ রাঙ্কার শেয়ার করা আরেকটি ভিডিওতে বিমানের অন্য যাত্রীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে দেখা যায় দীপকেকে।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের সবার সঙ্গে পরিচিত হয়ে ভালো লাগল। দেশ কোন দিকে যাচ্ছে, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি।’ এরপর তিনি বলেন, ‘এটা একনায়কতন্ত্র, যেখানে দিল্লি পুলিশ বিমানের ভেতরে ঢুকে আমাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করছে।’
‘আমি আটক, কিন্তু আন্দোলন নয়’: নেহা বোরার বার্তা
বামপন্থি ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে নিজের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী)-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনটির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘আমি আটক। কিন্তু আন্দোলন নয়।’
পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে মানুষ সফদরজং ফ্লাইওভারে জড়ো হচ্ছেন। সম্ভব হলে সেখানে পৌঁছান। আপনাদের বাধা দেওয়া হলে, যেখানে আছেন সেখানেই বসে পড়ুন এবং অবস্থান ধরে রাখুন।’
নয়াদিল্লির দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সফদরজং ফ্লাইওভারের কথা উল্লেখ করে আন্দোলনকারীদের প্রতি এ আহ্বান জানান নেহা।
জ্ঞানেশ কুমারকে বিদায় নিতেই হবে: রাহুল গান্ধী
ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতেই হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকারও বিদায় নেবে। এরপর গণতন্ত্র মেরামতের কাজ শুরু হবে।’
মোদি ভারতকে ‘কণ্ঠরুদ্ধ গণতন্ত্রে’ পরিণত করেছেন: কংগ্রেস সভাপতি
তরুণ বিক্ষোভকারী ও সাংবাদিকদের আটকের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘মোদি সরকার গণতন্ত্রের জননীকে কণ্ঠরুদ্ধ গণতন্ত্রে পরিণত করেছে!’
তিনি আরও বলেন, ‘আটক, গ্রেফতার, কারাগার, লাঠিপেটা ও ছররা গুলি ভারতের জনগণকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের দিনগুলো থেকেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে তরুণেরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।’
‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে: শশী থারুর
ভারতের তরুণ প্রজন্ম বা জেন-জি অঘোষিত জরুরি অবস্থার চেয়ে ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শশী থারুর। দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি এ মন্তব্য করেন।
১৯৭৫ সালে কংগ্রেস সরকারের জারি করা জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ টেনে থারুর ‘ইমার্জেন্সি’ ও ‘জেন-জি’ শব্দ মিলিয়ে ‘ইমার-জেন-জি’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করেন। তিনি লেখেন, ‘সরকারের উচিত লাঠির বদলে জবাব দেওয়া, দমন-পীড়নের বদলে মতপ্রকাশের সুযোগ দেওয়া।’
থারুর আরও বলেন, ‘ব্যারিকেড দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা যাবে না। জনসাধারণের প্রশ্নের উত্তর যত দ্রুত দেওয়া হবে, পরিস্থিতিও তত দ্রুত শান্ত হবে।’
গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি কীভাবে পরিমাপ করা হয়, তা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যাঁরা গণতন্ত্রের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়, তার মধ্য দিয়েই একটি গণতন্ত্রের শক্তি পরিমাপ করা যায়। সেই বিচারে আজ আমরা যা দেখেছি, তা সম্পূর্ণ লজ্জাজনক ও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

