ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় অন্তত ৩০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাইজ প্রদেশের একটি বাজারে হামলায় প্রাণহানির এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে হুতি গোষ্ঠী।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তায়েজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়াহ এলাকার একটি বাজারে এ হামলা হয়।
হুতি বিদ্রোহীদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলসাবাহি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে হতাহতের এ তথ্য জানান।
তবে হামলার দায় নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপ করেছে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুতি বিদ্রোহীরা। দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
তায়েজ প্রদেশের অধিকাংশ এলাকা হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। প্রাদেশিক রাজধানী অবরুদ্ধ করে রেখেছে তারা। ওই রাজধানীতেই সৌদি-সমর্থিত সরকার ও তাদের বাহিনীর অবস্থান।
হুতি পরিচালিত আল-মাসিরা টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে হামলাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। সেখানে খাবার রাখা একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন, ধ্বংস হওয়া যানবাহন, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ফলের বাক্স এবং ধ্বংসস্তূপ দেখা গেছে।
তবে তায়েজে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করেছে। একই সঙ্গে ওই এলাকায় কোনো বিমান হামলা চালানো হয়নি বলেও দাবি করেছে তারা।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তায়েজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়াহ এলাকার আল-হাদারা বাজারে তিন দফা বিমান হামলা হয়।
তিনি এ হামলার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করেন। তার দাবি, সৌদি যুদ্ধবিমান খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটি থেকে উড়ে এসে হামলা চালানোর পর সকাল ৮টার দিকে তায়েজ প্রদেশ ছেড়ে যায়। তবে নিজের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি তিনি।

