স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ সরকার যেসব সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন না করলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হবে। এটি শুধু অঙ্গীকার ভঙ্গই নয়, বরং বাংলাদেশের ভাবমূর্তির জন্যও নেতিবাচক হবে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ: জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত ও সিপিডির পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক মিডিয়া সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নানা জটিলতার কারণে অর্থনীতিতে চাপ আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তে বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণের জন্য অতিরিক্ত তিন বছর সময় দিয়েছে জাতিসংঘ।
সংলাপে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, ২০২৯ সালেই বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণ করতে হবে, এমনটা ভাবার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনে উত্তরণের সময় আবারও বাড়ানো হতে পারে। তবে এ সময়ে সরকার যেসব সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে সিপিডি।

