পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে বিমান হা’ম’লা চালিয়েছে। এসব স্থান ড্রো’ন সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণের কাজে ব্যবহৃত হতো এবং এর মধ্যে কিছু ড্রোন আন্তঃসীমান্ত হামলায় ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি ইসলামাবাদের।
পাকিস্তানে ‘সশস্ত্র গোষ্ঠীর’ হাম’লা’র জেরে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই বৃহস্পতিবার এই বিমান হা’ম’লা চালানো হয়। ওই হা’ম’লা’র ঘটনাকে কেন্দ্র করেই গত ফেব্রুয়ারিতে এই দুই সাবেক মিত্রের মধ্যে বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল।
ইসলামাবাদ কাবুলের বিরুদ্ধে এমন সব যোদ্ধাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে যারা সীমান্ত-পার হয়ে হা’ম’লা চালায়; তবে আফগানিস্তানের তা’লে’বা’ন সরকার পাকিস্তান-বিরোধী কোনো স’শ’স্ত্র গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার কথা অস্বীকার করে দাবি করে আসছে যে, এসব হা’ম’লা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, বিমান হা’ম’লাগুলো ছিল “পরিকল্পিত, সুনির্দিষ্ট, সুপরিমিত ও আনুপাতিক এবং তা কঠোরভাবে এমন সব চিহ্নিত সামরিক লক্ষ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার প্রচেষ্টার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।”
