বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এবার নথিপত্র সংগ্রহে ৪১ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে দুদক। যে মামলায় শেখ হাসিনা, শেখ রেহানাসহ তিনজনকে আসামি করেছে সংস্থাটি।
গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুদক। সম্প্রতি শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহানা ও তৎকালীন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস-এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে সংস্থাটি।
মামলায় বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ৪১টি বেসরকারি ব্যাংক থেকে সিএসআর ফান্ডে ২৭৬ কোটি টাকা দিতে বাধ্য করেন তারা। আর এই অর্থ উত্তোলনে মুখ্য ভূমিকা রাখেন নজরুল ইসলাম মজুমদার। ট্রাস্টের দায়িত্বে ছিলেন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। এবার ব্যাংকগুলোর কাছে এই অর্থ প্রদানের নথি তলব করেছে দুদক।
এদিকে, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে অনুসন্ধানের আইনি ধারাবাহিকতায় দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কমিশন। একইভাবে প্রায় ১২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ মেলায় কক্সবাজার-১ আসনের সাবেক এমপি জাফর আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ জারি করেছে।
এছাড়া, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এম আসলাম আলমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
