ওষুধখাতে মার্কিন শুল্ক ছাড়ে বিশেষ কোন সুবিধা পাবে না বাংলাদেশ। এমন দাবি ওষুধ শিল্প সমিতির। কারণ হিসেবে সংগঠনটি বলছে, দেশটিতে রফতানি হওয়া বেশিরভাগই জেনেরিক ওষুধ। আর শুল্ক ছাড় দেয়া হয়েছে বিশেষায়িত ওষুধে। তবে শুল্ক বাধাসহ প্রশাসনিক শর্ত শিথিল করা হলে রফতানি বাড়বে কয়েকগুণ। শুল্কছাড়ের তাৎক্ষণিক প্রভাব সীমিত হলেও রফতানি বাজারে অবস্থান শক্ত করতে বিশেষায়িত ওষুধ উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ বিশ্লেষকদের।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওষুধের বাজার যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পৌনে দুই লাখ ডলারের ওষুধ রফতানি করেছে বাংলাদেশ। যদিও এর ৮০ শতাংশই জেনেরিক বা পেটেন্টবিহীন।
তবে বাজারটিতে কিছু বিশেষায়িত ওষুধ আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের তালিকায় বাংলাদেশসহ ২০ দেশ ও অঞ্চলকে রেখেছে মার্কিন প্রশাসন। এই সুবিধা মিলবে দুর্লভ রোগের ওষুধ, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, প্লাজমা থেকে তৈরি থেরাপি, ফার্টিলিটি ড্রাগ, সেল ও জিন থেরাপিসহ নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে।
শুল্ক সুবিধার পাশাপাশি জেনেরিক পণ্য প্রবেশে প্রশাসনিক বাধা দূর করা গেলে রফতানি বাড়বে কয়েকগুণ।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রভাব সীমিত হলেও বিশেষায়িত ওষুধ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি হতে পারে নতুন সুযোগ।
তথ্য বলছে, বিশেষায়িত ওষুধের পেছনে প্রতিবছর ৪১৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন মার্কিনিরা। যা দেশটির মোট বার্ষিক ওষুধের খরচের প্রায় ৫২ শতাংশ।
